Connect with us

আফগানিস্থান

আফগানিস্তান-উইন্ডিজ ম্যাচে পুলিশ মোতায়েন!

Published

on

বিশ্বকাপের ৪২তম ম্যাচে বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) উইন্ডিজের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান।দুই দলেরই এই বিশ্বকাপে এটা তাদের শেষ ম্যাচ। এর আগে গত ২৯ জুন পাকিস্তানের সমর্থকদের সাথে বিবাদে জড়িয়েছিল আফগান সমর্থকরা। সে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আসরে খেলছে আফগানিস্তান। টুর্নামেন্টের শুরুতেই অন্য দলগুলোকে হুমকি দিয়ে রাখলেও প্রথম ৮টি ম্যাচের একটিতেও জয়ের দেখা পায়নি রশিদ খানেরা। বৃহস্পতিবার সাত্বনার জয়ের খোঁজে উইন্ডিজের মুখোমুখি হবে দলটি।

মাঠের পারফর্ম খারাপের পর আবার সমর্থকদের উগ্র আচরণে নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হয়েছে দলটি। গত ২৯ জুন পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে নেমেছিল আফগানরা। লিডসে স্টেডিয়ামের বাইরে লড়াইয়ে জড়িয়েছিল দুই দলের সমর্থকরা।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, আফগানিস্তানের দুই উইকেট পরে যাওয়ার পর পাকিস্তানি সমর্থকরা উল্লাস করতে থাকে। ঠিক তখন পাকিস্তানের বিপক্ষে স্লোগান দিতে থাকে আফগান ভক্তরা।  এতে দুই দলের ভক্তদের মাঝে তুমুল মারামারি শুরু হয়। মাঠের বাইরে ছড়িয়ে পরে দুই দলের ভক্তদের এই মারামারি। একে অপরের দিকে বিভিন্ন জিনিস ছুড়তে থাকে দুই দলের ভক্তরা।

স্থানীয় পুলিশকে পাত্তা না দিয়েই চলে দুই দলের ভক্তদের মারামারি। আফগানিস্তান সমর্থকরা দাবি করেছিল, উক্ত ঘটনার সূত্রপাত করে পাকিস্তানি ভক্তরা। আইসিসি সেই ঘটনার ব্যাপারেও কঠোর অবস্থান দেখিয়েছিল। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কিন্তু মাঠের বাইরে পাকিস্তান-আফগানিস্তান ম্যাচের বাজে অভিজ্ঞতার পর বেশ সতর্ক অবস্থানে যাচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।কেননা খেলোয়ারদের উপর ও যে পড়তে পারে এর প্রভাব। উইন্ডিজ-আফগানিস্তান ম্যাচের আগেই জানান হয়েছে পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত। দুই দলের মধ্যকার এই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হবে লিডসের হেডিংলিতে।

আফগানিস্থান

বিশ্বকাপে নিজেদের ব্যর্থতায় ক্ষমা চাইলেন গুলবাদিন!

Published

on

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯ এ গ্রুপ পর্বে নিজেদের ৯টি ম্যাচই খেলা শেষ আফগানিস্তানের। তবে এবারের বিশ্বকাপে একটি ম্যাচেও জয়ের দেখা পায়নি রশিদ-নবীরা। দলের এমন ভরাডুবিতে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত পারফর্মে অসন্তুষ্টির কথাও স্বীকার করেছেন।

কোয়ালিফায়ার রাউন্ডে আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ের মতো লম্বাসময় ধরে বিশ্বকাপ খেলে আসা দলগুলোকে টপকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে আসে আফগানিস্তান। কিন্তু এবারের আসর জমিয়ে তুলতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারিনি তারা। একমাত্র দল হিসেবে সবগুলো ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করল আফগানিস্তান।

দেশকে একটিও জয় এনে দিতে না পারায় ক্ষমা চেয়েছেন গুলবাদিন। অকপটেই স্বীকার করে নিয়েছেন নিজেদের ভুল ও সীমাবদ্ধতা। তবে সব ম্যাচ হারলেও বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট থেকে অনেক কিছু শিখেছেন জানান তিনি।


গুলবাদিন বলেন, ‘দলের এমন পারফর্মে আমি খুবই হতাশ। প্রতিটা ম্যাচেই আমরা অনেক ভুল করেছি। আমরা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারিনি। তবে এই টুর্নামেন্ট থেকে আমি অনেক কিছুই শিখেছি। আমরা নিজেদের শতভাগটা দিয়ে লড়তে পারিনি তাই হেরে গেছি। আমি দেশ ও সমর্থকদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’

মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, মুজিব-উর-রহমানদের পারফর্মে হতাশ অধিনায়ক তাদেরকে বড় নামের ক্রিকেটার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের দলে নবী, রশিদ, মুজিবদের মতো বড় নামের খেলোয়াড় আছে। গত ২-৩ বছর তারা যেভাবে খেলে আসছে তাতে বিশ্বকাপেও তাদের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা ছিল।’

দুর্দিনে অধিনায়ককে পাশেই পাচ্ছেন এই লেগ স্পিনার। শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করেও সফলতা না পাওয়াকে রশিদের দুর্ভাগ্য হিসেবে দেখছেন আফগান অধিনায়ক, ‘রশিদ আমাদের জয়ে ৬০ শতাংশ অবদান রাখে। আমি তার কাছে আরও বেশি প্রত্যাশা করেছিলাম। সে তার শতভাগ দিয়েও সফল হতে পারেনি। কিন্তু এটা ক্রিকেটেরই অংশ। আপনি এটাকে দুর্ভাগ্য ছাড়া আর কী বলবেন!’

মাঠের পারফর্মে ভরাডুবির সাথে সাথে বিশ্বকাপের মাঝপথে অস্পষ্ট কারণ দেখিয়ে স্কোয়াড পরিবর্তন করেও সমালোচিত হয়েছে তারা। চোটের অজুহাত দিয়ে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদকে বাদ দেয়া হলেও তিনি পরে অভিযোগ করেছিলেন ষড়যন্ত্র করে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টের শেষদিকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বাদ দেয়া হয় পেসার আফতাব আলমকেও।


Continue Reading

আফগানিস্থান

তীরে এসে তরী ডোবানো ‘গুলবাদিন’ জানালেন শেষের দিকে বল করার কারন!

Published

on

দ্বাদশ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটটি ম্যাচ খেলে এখনও জয়ের দেখা পাননি আফগানিস্তান। তবে দলটির সবচেয়ে বাজে হার সম্ভবত পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটিই। জয়ের খুব কাছ থেকে ফিরলেও ‘দৃষ্টিকটু পরাজয়’র তালিকা থেকে সহসা বের হতে পারবে না ম্যাচটি। আফগানিস্তান যে অধিনায়কের ভুলে ম্যাচটি পাকিস্তানকে রীতিমত ‘উপহার’ দিয়েছে!

মাত্র ২২৭ রানের পূঁজি নিয়েই এদিন দারুণ বোলিং করে পাকিস্তানকে আটকে দিচ্ছিলেন আফগানরা। স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ক্রমশ পিছিয়ে পড়া পাকিস্তানের শেষ ৫ ওভারে জয়ের জন প্রয়োজন ছিল ৪৬ রান। তবে ৪৬তম ওভারে অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব বোলিংয়ে এসে দিয়ে বসেন ১৮ রান।ব্যাটসম্যানদের কাছে পেসাররা যখন রানের ফুলঝুড়ি নিয়ে বসেছেন তখন কেন তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন- তা প্রশ্নবিদ্ধ গোটা ক্রিকেট বিশ্বে।

গুলবাদিনের বোকামো এখানেই শেষ নয়। স্পিনারদের চেষ্টায় আবারো ম্যাচে ফেরে আফগানিস্তান। শেষ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ৬ রান। ঐ ওভারে সামিউল্লাহ শিনওয়ারির হাতে ভরসা না করে গুলবাদিন নিজেই বল তুলে নেন। ফলে ম্যাচ বাঁচানো আর সম্ভব হয়নি।

গুলবাদিনের এমন হাস্যকর সিদ্ধান্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ক্রিকেট সাময়িকীগুলোতে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। তবে ম্যাচ শেষে গুলবাদিন জানিয়েছেন, কেন তিনি শেষদিকে বল তুলে নেওয়ার দুঃসাহস করেছিলেন।

গুলবাদিন বলেন, ‘আমি ভাবছিলাম- আমাদের সব বোলার তো আর ওদের টার্গেট না। প্রত্যেক দলেরই নিজেদের পরিকল্পনা থাকে। ৪৬তম ওভারে মোটেও ভালো করতে পারিনি আমি।’

চোটের কারণে আরেক পেসার হামিদ হাসান এদিন মাত্র ২ ওভার বল করে ক্ষান্ত হয়েছেন। তার না থাকাও ভুগিয়েছে দলকে। নিন্দিত অধিনায়কের ভাষ্য, ‘হামিদ হাসান ফিট থাকলে হয়ত ৩-৪ ওভারের বেশি বল করতাম না। কারণ এখানে বল করার মত পর্যাপ্ত গতি নেই আমার।’


Continue Reading

আফগানিস্থান

ক্ষোভে ক্রিকেটই ছেড়ে দিতে চান শাহজাদ!

Published

on

বিশ্বকাপে খেলতে আসার আগে থেকেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল আফগান ক্রিকেট বোর্ড। হঠাৎ করে আসগর আফগানকে বাদ দিয়ে অধিনায়ক করা হয় গুলবাদিন নাইবকে। এ নিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটিতে তৈরি হয় তুমুল বিতর্ক। সব পেছনে ফেলে তবুও তারা আসলো বিশ্বকাপ খেলতে। সেই বহুল প্রতিক্ষিত বিশ্বকাপ খেলতে এসেও যেন বিতর্ককে সঙ্গী করে নিয়েছেন দলটি।

বিশ্বকাপের মাঝপথে দল থেকে ছিটকে যাওয়ার পর অবসরের হুমকি দিয়েছেন আফগানিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শেহজাদ। 

তাঁকে ভুল প্রক্রিয়ায় দল থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন তিনি। কাবুলে ফিরে মিডিয়ার সামনে শেহজাদ জানিয়েছেন,

‘বোর্ড আমাকে খেলাতে না চাইলে আমি ক্রিকেট ছেড়ে দিবো। কিছুদিন আগে আমি লন্ডনে ডাক্তারের কাছে যাই। আমার কুনুইয়ে কিছু ফ্লুয়িড লাগিয়ে রাখি। ডাক্তার বলে ২-৩ দিন বিশ্রাম নেওয়ার পরই আমি খেলতে পারব। এরপর আমি অনুশীলন করেছি।

‘ব্যাটিং, বোলিং, কিপিং সবই করেছি। দলের সঙ্গে দুপুরে খেয়ে যখন টিম বাসে উঠি তখন আইসিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আমি বিশ্বকাপে খেলছি না। কেবল তখনই আমি বুঝতে পারলাম যে আমি ফিট নই!’

ডাক্তারের সঙ্গে শেহজাদ পরবর্তীতে যোগাযোগ করার পরে আরও বেশি আশাহত হন। ঘটনার ব্যাখ্যায় শেহজাদ জানান,

‘আমি ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছি। এরপরে ডাক্তারের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। ডাক্তার আমাকে বলে তাঁর করার কিছুই নেই। ’

এরপরই ক্রিকেটই ছেড়ে দেয়ার কথা বলেন শাহজাদ। তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পারলাম কি সমস্যা হলো। তারা যদি আমার মাঝে কোনো সমস্যা দেখতে পেতো, তাহলে সেটা আমাকে জানাতো! তারা যদি না চায়, তাহলে আমি ক্রিকেটই ছেড়ে দেবো।’

অবসর প্রসঙ্গে শেহজাদ বলেন, ‘আমি আবারো ক্রিকেট খেলব, এমনটা ভাবতে পারি না। বিশ্বকাপে খেলাটা আমার স্বপ্ন ছিল। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকেও আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার এখানেও। আমি আমার পরিবার আর বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলব এটা নিয়ে। ক্রিকেটে আমার আর মন নেই।’

Continue Reading
Coming Soon
Advertisement

Most Popular